1. mohammadrakib230@gmail.com : dailymohanogor :
রাজশাহীতে টেকনোলজিস্টের ঔষুধে সংকটে শিশুর প্রাণ - দৈনিক মহানগর 24.কম
শিরোনামঃ
মহানগরীর সদর হাসপাতাল হতে ফায়ার সার্ভিস মোড় পর্যন্ত রাস্তা কার্পেটিং কাজ চলমান রাসিক মেয়রের সুস্থ্যতা কামনায় জেলা মটর শ্রমিক ইউনিয়নের দোয়া মাহফিল রাসিক মেয়র লিটনের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন জাসদ মহানগরের নেতৃবৃন্দ নাসিকের নবনির্বাচিত মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে রাসিক মেয়রের অভিনন্দন শাবিপ্রবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে রাবিতে মানববন্ধন রাসিক মেয়রের দ্রুত সুস্থ্যতা কামনায় ২৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলরের উদ্যোগে দোয়া রাসিক মেয়রের সুস্থ্যতা চেয়ে দোয়া মোনাজাত করেছেন রুয়েট কর্মচারী সমিতি রাসিক মেয়র লিটনের দ্রুত সুস্থ্যতা কামনায় রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের দোয়া রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার-জেলা প্রশাসক করোনায় আক্রান্ত রাসিক ১৯ নং ওয়ার্ডে মেয়র লিটনের দ্রুত করোনা থেকে আরোগ্য কামনায় দোয়া মাহফিল
নোটিশঃ
মহানগরীর সদর হাসপাতাল হতে ফায়ার সার্ভিস মোড় পর্যন্ত রাস্তা কার্পেটিং কাজ চলমান রাসিক মেয়রের সুস্থ্যতা কামনায় জেলা মটর শ্রমিক ইউনিয়নের দোয়া মাহফিল রাসিক মেয়র লিটনের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন জাসদ মহানগরের নেতৃবৃন্দ নাসিকের নবনির্বাচিত মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে রাসিক মেয়রের অভিনন্দন শাবিপ্রবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে রাবিতে মানববন্ধন রাসিক মেয়রের দ্রুত সুস্থ্যতা কামনায় ২৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলরের উদ্যোগে দোয়া রাসিক মেয়রের সুস্থ্যতা চেয়ে দোয়া মোনাজাত করেছেন রুয়েট কর্মচারী সমিতি রাসিক মেয়র লিটনের দ্রুত সুস্থ্যতা কামনায় রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের দোয়া রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার-জেলা প্রশাসক করোনায় আক্রান্ত রাসিক ১৯ নং ওয়ার্ডে মেয়র লিটনের দ্রুত করোনা থেকে আরোগ্য কামনায় দোয়া মাহফিল

রাজশাহীতে টেকনোলজিস্টের ঔষুধে সংকটে শিশুর প্রাণ

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৩৫ দেখুন

বিশেষ প্রতিনিধিঃ রাজশাহীতে একজন মেডিকেল টেকনোলজিস্টের চিকিৎসায় সংকটে পড়েছে এক শিশুর জীবন। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ওই শিশু এখন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি। শিশুটির নাম আবদুর রাফি (৭)। সে রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার দালালপাড়া গ্রামের আয়নাল হকের ছেলে।

অভিযুক্ত মেডিকেল টেকনোলজিস্টের নাম মফিজুল হক। তাঁর দাবি, রাজশাহী ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি (আইএইচটি) থেকে ২০০৭ সালে ডেন্টাল বিভাগ থেকে উত্তীর্ণ হয়েছেন। রাজশাহী আইএইচটির অধ্যক্ষ ফারহানা হক বলেছেন, ডেন্টাল বিভাগের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট হিসেবে উত্তীর্ণ হলেও কেউ রোগী দেখতে পারেন না। তিনি শুধু একজন ডেন্টাল সার্জনকে সহায়তা করতে পারেন।

তবে মফিজুল হকের রীতিমতো চেম্বার আছে রাজশাহীর পবা উপজেলার কাটাখালী বাজারে। প্যাডে তিনি ব্যবস্থাপত্রও দেন। তাঁর প্যাডে দেখা গেছে, রোগী দেখার সময় উল্লেখ করা আছে। নিজের নামের নিচে পদবী হিসেবে লিখেছেন, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ডেন্টাল), এফটি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ রেজিস্ট্রেশন নম্বর- ৭৬৫৩।

এই নিবন্ধন নম্বরের ব্যাপারে জানতে বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদের সচিব ডা. জাহিদুর রহমান বলেন, ‘এ ধরনের কোন নিবন্ধন নম্বর আমরা মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের দেই না, যা দিয়ে তাঁরা রোগী দেখতে পারেন। রোগী শুধু এমবিবিএস চিকিৎসক ও ডেন্টাল সার্জনরাই দেখতে পারেন। আর তাঁদের নিবন্ধন দেয় বাংলাদেশ মেডিকেল কাউন্সিল। তাই বলতেই পারি মফিজুলের ওই নিবন্ধন নম্বর ভূয়া।’

শিশু রাফির দাঁতে পোকা লাগার কারণে আগস্টের শেষের দিকে মফিজুলের চেম্বারে নিয়ে গিয়েছিলেন তাঁর বাবা আয়নাল হক। মফিজুল হক তখন একটি দাঁত তুলে ফেলেন। এরপর কয়েকদিনেও ব্যাথা না কমার কারণে আয়নাল গত ২৬ আগস্ট রাফিকে নিয়ে আবার মফিজুলের চেম্বারে যান।

আয়নাল জানান, তখন গুগল ঘাটাঘাটি মফিজুল তাঁর বাচ্চাকে এনলেপটিক নামের একটি সিরাপ লিখে দেন। দিনে দুবার এই ওষুধ খাওয়াতে বলা হয়। বাড়ি যাওয়ার পর আয়নাল রাত ৮টার দিকে রাফিকে সিরাপটি খাওয়ান। এর আধাঘণ্টা পরই সারাশরীর চুলকাতে শুরু করে সে। সকালের মধ্যেই সারাশরীর তাঁর ফুলে ফোসকা পড়ে যায়।

এরপর রামেক হাসপাতালের বহির্বিভাগে নিয়ে রাফির চিকিৎসা করানো হয়। তারপরও কোন উন্নতি হয়নি; বরং দিন দিন অবস্থা খারাপের দিকে যেতে থাকে। তাই গত ৯ সেপ্টেম্বর তাঁকে রামেক হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।

সোমবার রাতে হাসপাতালের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা গেছে, দুই চোখের ভেতর ছাড়া শরীরের সব জায়গায় শিশু রাফির ক্ষত দেখা দিয়েছে। পুড়ে গেলে যেমন ফোসকা পড়ে ঠিক সে রকম ক্ষত। শরীরের কোথাও কোথাও চামড়া উঠে গেছে। ঠোটের ওপরেও সে ক্ষতের কারণে শিশুটি কিছু খেতে পারে না। টানা কয়েকদিন কথাও বলতে পারেনি সে। সারাশরীরে তাঁর মলম লাগিয়ে রাখা হয়েছে।

শিশুটির এ অবস্থা নিয়ে জানতে চাইলে মফিজুল হক বলেন, ‘এ রকম যে কেন হলো বুঝতে পারছি না। আর শিশুর বাবার সাথে কথা হয়েছে। তিনি তো কাউকে বিষয়টি জানানোর কথা নয়।’ মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ব্যবস্থাপত্র দিতে পারেন কি না সে প্রশ্ন তিনি এড়িয়ে যান। বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদের ভূয়া নিবন্ধন নম্বর ব্যবহারের বিষয়েও মন্তব্য করেননি। তবে প্যাডে রামেক হাসপাতাল লিখে রাখার বিষয়ে তিনি দাবি করেন, সেখানে তিনি ইন্টার্নশীপ করেছেন। তাই লিখেছেন।

রামেক হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান ডা. বেলাল হোসেন বলেন, ‘বাচ্চাটাকে যে ওষুধ দেওয়া হয়েছিল, সেটা খিঁচুনির। বাচ্চাটার কারণে ভুল চিকিৎসা হয়ে গেছে। সে কারণে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও দেখা দিয়েছে। একে ‘স্টভেন জনসন সিনড্রম’ বলে। বাচ্চাটার শারীরিক অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। এখন একটু ইমপ্রুভ করছে।’

রাতে ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা আয়নাল হক জানান, তাঁর ছেলের অপচিকিৎসার ব্যাপারে তিনি মামলা করবেন। সকালে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, মামলা করার জন্য তিনি কাটাখালী থানায় অবস্থান করছেন।

জানতে চাইলে কাটাখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিদ্দিকুর রহমান বলেন, মামলা না করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অভিযোগ দিলে ভাল হয়। তাহলে তিনি তাৎক্ষণিক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ব্যবস্থা নিতে পারেন। শিশুটির বাবাকে তিনি এ পরামর্শ দিচ্ছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© Copyright 2019 All rights reserved dailymohanogor24
Customized BY NewsTheme